| শিরোনাম: |
|
শতভাগ গ্যারান্টি, সরকার ঘোষিত নির্ধারিত সময়েই ভোট: রাশেদ খান
নিজস্ব প্রতিবেদক :
|
গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন যে, সরকার ঘোষিত সময়েই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তিনি শতভাগ নিশ্চয়তা দিয়ে এ দাবি করেছেন এবং পাশাপাশি সতর্ক করেছেন, কিছু মহল নানাভাবে জটিলতা সৃষ্টি করে বা রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়িয়ে নির্বাচন প্রক্রিয়া ব্যাহত করার চেষ্টা করতে পারে।বুধবার (১৩ আগস্ট) সকালে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খান এ মন্তব্য করেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী ক্ষমতায় যাওয়ার সক্ষমতা না পেয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে হট্টগোল তৈরি করে ১/১১-এর মতো পরিস্থিতি আনতে চাইতে পারে। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, রাজনৈতিক ঐক্যমতের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পন্ন করেই সময়মতো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। পোস্টে রাশেদ খান উল্লেখ করেন, প্রধান উপদেষ্টা রাজনৈতিক দলগুলোকে সংগঠিত হওয়ার জন্য যথেষ্ট সময় দিয়েছেন। কিন্তু একের পর এক বিতর্ক প্রধান উপদেষ্টাসহ অন্যান্য উপদেষ্টাদের বিব্রত করেছে। তিনি জানান, প্রধান উপদেষ্টা এবং কয়েকজন উপদেষ্টা আর কোনো অযাচিত দায় নিতে চান না, বরং একটি সুষ্ঠু রোডম্যাপ অনুসরণ করে সংস্কার ও বিচারের পথ তৈরি করে নির্বাচন দিয়ে দায়িত্ব শেষ করতে চান। তার ভাষায়, এই বয়সে তাদের কারও অসম্মান পাওয়ার ইচ্ছে নেই, তাই তারা ঘোষিত সময়সূচি মেনে চলবেন এবং এর কোনো পরিবর্তনের সুযোগ নেই। তিনি আবারও জোর দিয়ে বলেন, "আমি শতভাগ গ্যারান্টি দিয়ে বলছি, প্রধান উপদেষ্টার ঘোষিত সময়েই নির্বাচন হবে।" একই সঙ্গে তিনি সমালোচনা করেন তাদের, যারা ক্ষমতায় যাওয়ার সামর্থ্য না পেয়ে অন্য কাউকে ক্ষমতায় যেতে না দেওয়ার জন্য রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি করে। তিনি এটিকে উপমা দিয়ে বলেন, "জেদের ভাত কুকুর দিয়ে খাওয়ানোর মতো।" তার মতে, এ ধরনের ষড়যন্ত্র সফল হবে না এবং সংস্কারের পরেই যথাসময়ে নির্বাচন হবে। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিশ্রুতি প্রসঙ্গে রাশেদ খান বলেন, প্রধান উপদেষ্টা কারও ফাঁদে পড়ে নিজের ওয়াদা ভঙ্গ করবেন না। বরং রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত সময় নষ্ট না করে গ্রাম-গঞ্জে গিয়ে মানুষের কাছে দলের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তুলে ধরা এবং জনগণের ম্যান্ডেট আদায়ের চেষ্টা করা। তিনি সতর্ক করে বলেন, নির্বাচন বন্ধের প্রচেষ্টা কেবল নিজের শক্তি ও সময়ের অপচয় ঘটাবে। শেষে রাশেদ খান পরামর্শ দেন, সবচেয়ে বেশি লাভবান হবেন তারা, যারা বিতর্কিত বক্তব্য ও ষড়যন্ত্র ত্যাগ করে মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে যোগাযোগ বাড়াবেন এবং তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করবেন। তার মতে, জনগণের আস্থা ও সমর্থনই নির্বাচনে জয়ের মূল চাবিকাঠি।
|